My life my story-3

My lies my story image

My life my story-3

ভালোবাসার গল্প শুনতে শুনতে আমরা খুব রোমাঞ্চিত হয়ে উঠি, মনের মাঝে নতুন উদ্দীপনা সাড়া দিয়ে জেগে উঠে কিন্তু ভালোবাসার পিছনের সংগ্রামটুকু আমরা কখনো দেখতে পাই না। হয়তো বা কেউ বলতে চায় না, এটাই খুব স্বাভাবিক। একটা জিনিস লক্ষ্য করা যায় কখনও কখনও আমরা কারো ব্যথাতে খুব আনন্দ পাই, বলি বেটা, বেশ জব্দ হয়েছে। এতকাল তো আনন্দে খুব ধেই -ধেই করে ঘুরে বেড়াচ্ছিল, এখন ঠেলা বুঝক। মানুষ অভ্যাসের দাস তাই মানুষের পক্ষে এমনটা বলা কখনো অবান্তর নয়।নিজে যখন ভালোবাসার অত্যাচারে জর্জরিত, কাউকে বিশ্বাস করতে গিয়ে নিঃস্ব হতে হলো।

সে গল্পটা আমি এখন কাউকে বলতে পারব না কিন্তু একটুখানি বলে তুলে রাখতে পারি ভবিষ্যতের জন্য। যদি কখনো সময়,স্থান হয় তবে অবশ্যই পুরো গল্পটা বলবো। এখন না হয় ভালোবাসার গল্প নিয়েই বেঁচে রই।বয়স যখন 45 পেরিয়ে গেছে, বলতে গেলে জীবনে অর্ধেকের বেশি সময় পার হয়ে গেছে। পিছন ফিরে তাকালে কেমন যেন গল্প বলে মনে হয়। ভবিষ্যতের কথা মাথায় আসলে ভয় হয়, নিজেকে জীবনের সফলতা ও সফলতার মাপকাঠিতে যদি তুলে ধরি তবে যেমন অসফল বলাটা খুব কঠিন আবার সফল বলতে গেলে ঠিক সঠিক বিশেষণ টা খুঁজে বের করা খুব মুশকিল।

যখন হাতে অনেকটা সময় ছিল এমনিতেই পার হচ্ছিল নিজেকে খুঁজতে খুঁজতে জীবনের অনেকটা কাল পেরিয়ে গেল। কখনো মনে হয় আমি যেখানে আছি সেটা আমার স্থান কোন কালের নয়, ভাবতে অবাক লাগে আমি কিভাবে উড়ে এসে জুড়ে বসলাম। সত্যটাকে উপলব্ধি করতে জীবনের অনেকটা কাল পেরিয়ে গেল। অবাক হয়ে ভাবি যখন হাতেকাজ আসলো তখন সময় খুব কম এত কম সময়ের মধ্যে এত কাজ করা কি আদৌ সম্ভব! তো কিছুটা যেমন মনে হয় সাগর থেকে এক ঘটি জল তুলে আনা।
তবুও প্রয়াস চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছি যখন সত্যটা উপলব্ধি করতে পারলাম তখন বাকি জীবনটা যেন বৃথা না যায়।

প্রতিশ্রুতি অনেক বার করা হয় কিন্তু রক্ষা করাটা কতটুকু সম্ভব হয় সেটা সময়ই আসলে একমাত্র বলে দিতে পারে। অনেকবার প্রতিশ্রুতি করি যে এমনিতে বসে থাকব না কিছু না কিছু নিশ্চয়ই লিখব কিন্তু ঠিক প্রতিশ্রুতি রক্ষা করতে পারিনা। আজকে আরো একবার প্রতিশ্রুতি নিলাম যে কিছু একটা লিখব।
নিজের গল্প বলে কাউকে বিরক্ত করার অভিপ্রায় আমার নেই কিন্তু একটুখানি যদি হয়ে যায় তার জন্য ক্ষমাপ্রার্থী।

আমি তাপসের জীবনের গল্প বলব বলে বলছিলাম, আমি জানি না এখন ও কিভাবে কোথায় আছে। ওর সাথে বারবার যোগাযোগ টা হারিয়ে ফেলি কারণটা ওর কাছে ফোনটা রিচার্জ করার টাকা থাকে না। অনেক সময় ৮/১০ মাইল সাইকেল নিয়ে আসত এখন অনেক দিন আসেনা আমি জানিনা তাপস এখন কোথায় কিভাবে আছে। মনটা ব্যাথায় কাতর হয়ে যায় কিন্তু আমি কিছু একটা করে উঠতে পারি না একদিনের গল্প বলছি আমি তখন স্টেশনের ডিউটিতে ছিলাম প্রায় ছমাস ওর সাথে কোন দেখাই নেই, কোথাও খবর নেই মাঝে দুবার গাড়িকরে ওকে খুঁজতে গিয়েছিলাম কিন্তু ওর সাথে দেখা হয়নি ওর মাকে বলে এসেছিলাম আসলে যেন আমার সাথে দেখা করে।

জানিনা এ জীবনে প্রতিশ্রুতি রক্ষা করতে পারব কিনা কিন্তু আমি ওকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছি, ওর যদি কোন সমস্যা হয়, ‘ তুই মরতে যাবিনা আমাকে বলবি’। মাঝে যখন খুব অসুস্থ ছিল মনে হয় করুনাই হয়েছিল কিন্তু গরিবের তো গায়ে জোর থাকে, তাই বিনা চিকিৎসাতেই ভালো হয়েছিল ঘরে।

খুব সুঠাম চেহারা বলশালী ও যখন একেবারে ক্ষীণ হয়ে আমার সামনে এসে দাঁড়াল আমি একটু ভয়ে আঁৎকে উঠলাম, কি হয়েছে তোর, একেবারে শুকিয়ে কাঠ হয়ে গেছিস যে , ধীর গলায় উত্তর আসে খুব অসুস্থ ছিলাম জ্বর হয়েছিল। প্রথমে বাবা, তারপর মা, তারপর আমার এক মাসের বেশি জ্বর ছিল। সত্যি শুকিয়ে কাঠ হয়ে গেছে আমি উপলব্ধি করতে পারলাম কারণ এ সমস্যা আমার গত বছর হয়েছিল আমি 1 মাস 3 দিন এ সুস্থ হয়েছিলাম l ও আসতে আসতে রাস্তায় ঠাকুরের কাছে বলছিল ঠাকুর, আমাকে যেন-তেন প্রকার হেনো পায়, আমি যেন কোথায় বাইরে না থাকি। কারণ ওর কাছে ওই সময় আমি ছাড়া কোনো ব্যবস্থা নেই। কথাটা আমাকে বলছিল রাস্তাতে বলে আসছিল, ঠাকুর তুমি যেন দেখো। আমাকে পাওয়ার পর এ বিশ্ব মাঝে ও যেন ভগবান পেয়ে গেছিল।

বলছিলো স্যার আমাকে 4000 টাকা দিতে পারবেন! না করার অজুহাত তো আমার কাছে কখনোই ছিল না। এটা আমি ওর জন্য বরাবরই করে আসছি যখনই ওর প্রয়োজন আসে ও আমার কাছে ছুটে চলে আসে। আমি সাধ্যমত সাহায্য করি কিন্তু ওর সমাধান করতে পারিনা, এটাই আমার দুর্ভাগ্য। একটা প্রয়াস অবশ্য করেছিলাম কিন্তু ভালবাসার অত্যাচারে তা করে উঠতে পারলাম না। এ লোকসান আমাকে কতদিন বয়ে বেড়াতে হবে আমি জানিনা কিন্তু তাপসের মত যারা আমার সাথে জুড়ে আছে তাদের কথা ভাবলে খুব কষ্ট হয়। কিন্তু আমি চেয়েও কিছু করতে পারছিনা এখানেই আমার খুব দুঃখ বড় নিঃস্ব মনে হয়, নিজেকে খুব একা মনে হয়। কিন্তু আমি চেষ্টা করে যাচ্ছি।

ত্রিপুরা ওয়েব সলিউশন এর সাথে জড়িয়ে যাওয়া এটা একটা প্রয়াস মাত্র। উদ্দেশ্য খুব সহজ, নিজের জীবন তো পেরিয়ে আসলাম, স্বাচ্ছন্দ্যে কাটাচ্ছি। কিন্তু যাদের প্রতিশ্রুতি দিয়েছি তাদের জন্য যে কিছু করে উঠতে পারলাম না এখানেই যত দুঃখ .. জানিনা ঈশ্বর আমায় সে শক্তি দেবে কিনা কিন্তু আমি সংগ্রামে পিছু হবো না আমার হাতে জীবনে যত সময় আছে এই কাজ করে যাবো। ঈশ্বরের কাছে একটাই প্রার্থনা ঈশ্বর যেন আমায় কিছু সময় দিন.…।
এখন রাত্র তিনটা 12 আমি ঠিক ব্যস্ত আছি, নষ্ট হয়ে যাওয়া সময়টাকে কাজে লাগানোর চেষ্টা করছি.

In middle subheadings used to highlight SEO [3:13 AM, 7/10/2021] piklu chanda:

My life my story-3 will continue …

Visit the site to read all

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *