Blog in Bengali

My life my story-Piklu Chanda

my life my story

My Lives My Story – Bengali

Part-1

  বলতে গেলে মনের কথাটা ঠিক ঠিক না বলে উঠতে পারলে নিতান্তই ভুল হবে। ছোটবেলা নিশ্চয়ই আপনারা কখনো কখনো বারটার সিস্টেম দেখেছেন বা শুনেছেন । কলেজ জীবনে ইকোনমিক্স এর বিষয় না থাকলেও বাস্তব জীবনে এর অস্তিত্ব অনেক বেশি। বারটার সিস্টেম একটা পদ্ধতি যা আগের যুগে যেমন যখন কোন যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে উঠেনি কিংবা যোগাযোগের কোন ব্যবস্থা ছিল না সেই সময় বাজারে এক ধরনের প্রথা চালু ছিল যাকে কিনা বলে বিনিময় প্রথা। মানুষ একচেঞ্জ করত গরুর বদলে ছাগল, কলার বদলে আম, আবার কখনো বাদী চাকর ও বিনিময় হত।

এভাবেই চলত সেই সময়কার মানুষ জীবনের বেচা কেনার নিয়ম। কেমন অদ্ভুত ছিল না বিষয়টা! বিনিময় প্রথার মাঝে অনেক বৈষম্য থাকার পরেও তখনকার সময়ে এটা ছিল খুব প্রচলিত প্রথা। 100 টাকা দামের একটা গরু, দশ টাকার ছাগলের সাথে বিনিময় কেমন যেনো অদ্ভুত লাগে। কিন্তু সময় ও ব্যবস্থার তালে তালে তা ছিল খুব সঠিক এবং প্রযোজ্য। আজকের জীবনে আমরা কখনও তা ভেবে উঠতে পারিনা। আমাদের এক পয়সার হিসেব ও আমরা সঠিক চাই। কিন্তু তা শুধু নতুন জিনিষের বেলায় আমরা খেয়ালে রাখি , পুরনো জিনিসের ক্ষেত্রে এ কথা আমাদের মনেও থাকে না। আর এখানেই ত্রিপুরা ওয়েবসলিউশন এর জন্ম আমরা নতুনের সাথে সাথে * খুব পুরাতন কে নিয়ে বাঁচতে চাই। একটা common platform তৈরি করার ক্ষুদ্র প্রয়াস tripurawebsolution.com

 Tripurawebsolution.com my story প্রিয় বন্ধুরা আজকে যারা আমাদের ত্রিপুরা ওয়েব সলিউশন এর সাথে জুড়ে গেছে তাদের সকলকে আমার অনেক অনেক আন্তরিক অভিনন্দন। তাদের ভালবাসায় আমি অনুপ্রাণিত কিছুটা আবেগে আপ্লুত না হয়ে ও ভাসছি।
আজকের আমার বিষয়টা খুব সহজ এবং সরল। Suppose ধরো আমার কাছে 2000 টাকার একটা নোট এর এক্সচেঞ্জ নেই, এদিক সেদিক ঘুরে যখন আমরা তাকাতে থাকি কাউকে হয়তো বলি দাদা এক্সচেঞ্জ হবে, দূর থেকে দেখা একজন ব্যক্তি এগিয়ে এসে এক্সচেঞ্জ দিয়ে যায়। এটা আমাদের মানবিকতার পরিচয়। এই বোধটা মানুষের মাঝে স্বতঃস্ফূর্ত, তার জন্য দাম দিতে হয়না শুধু প্রয়োজন হয় একটু ভালোবাসার এবং আন্তরিকতার।

আমরা সবাই মিলে যদি এই সূক্ষ্ম বোধটাকে কাজে লাগাই তবে নিশ্চয় অনেকের অনেক সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে! চলুন আসুন আমরা একে অপরের হাত ধরে বর্তমানের মাঝে থেকেও যেন, অতীতকে ভালোবেসে অতীতের সাথে সাথে বর্তমানকে নিয়ে এগিয়ে যেতে পারি। আজকের জন্য এতটুকুই আবার দেখা হবে, কথা হবে।
খুব খুব ভালো থাকুন।

Always Choose AMAZON to Buy

Will continue….

My life my story- Bengali

Part-2

My life My story [10:33 AM, 7/23/2021] : আজকে হঠাৎ করে ভজন দার কথা মনে পড়ে গেল। ভজন দা হচ্ছেন আমাদের মজদূর ইউনিয়ন এর একজন কার্যকর্তা কমরেড, স্নেহভাজন সবার প্রিয় ভজন দা।
চাকরি সূত্রে ভজন দার সাথে আমার পরিচয়। চাকরিটা যদি না থাকতো হয়তো এত ভালো মানুষের সাথে কোনদিন যোগাযোগই হতো না। ভজন দা খুব কঠোর পরিশ্রমী ছিলেন, পরিবারের কথা ভুলে গিয়ে ইউনিয়ন নিয়ে মেতে থাকতেন সারাক্ষণ, ভালোবাসতেন সবাইকে। সবাই ওনাকে ভালোবাসতো প্রিয় ভজন দা বলে ডাকত। আমি কিন্তু এতটা ইউনিয়নের সাথে জড়িত ছিলাম না আমার ইউনিয়নের সাথে হাতে খড়ি হচ্ছে আশিস দা, তারপর নাথদার হাথ ধরে.. উনাদের সম্পর্কেও ধীরে ধীরে বলব যারা আমাকে এত বেশি ভালবাসতেন তাদের কথা কি আর না বলে পারা যায়।


এখন ভজন দার কথাই বলি। উনার সাথে প্রথম দেখা করিমগঞ্জ প্লাটফর্মে আশিস দা সাথে ছিলেন নতুন কারো সাথে যদি দেখা হয় ইউনিয়ন অফিশিয়াল যারা থাকে তাদের একটাই টার্গেট থাকে একটু কথা বলা তাদেরকে আমার দিকে নিয়ে আসা। ভজন দা আমার সম্পর্কে জানতেন না সাথে আশিস দা ছিলেন । পরিচয় হওয়ার পরে উনি উনার কথা বলতে লাগলেন। আশিস দা বাধা দিয়ে বললেন কথা পরে হবে ওটা আমি দেখে নেব কারণ আশীষ দা আমাকে জানতেন আমিও এই ইউনিয়নের সাথে জড়িত। তারপর দীর্ঘকাল দেখা নাই, কিন্তু 2013 সনে যখন আমার জিরানিয়া ত্রিপুরাতে ট্রান্সফার হয়ে যায়। তখন আমরা আবার কানেক্টেড হয়ে গেলাম। Bhajanda একজন বড় মনের মানুষ ছিলেন সবচাইতে বড় যে কথাটা ছিল উনি অন্যকে ভালবাসতে জানতেন, অন্যের কথায় গুরুত্ব দিতে জানতেন। আর সবচাইতে বড় কথা খুব নিবেদিতপ্রাণ ছিলেন। পরিবারের কথা ভুলে গিয়ে ইউনিয়ন নেই সমস্ত সময় ডুবে থাকতেন। মানুষের ভালো কিভাবে হয় একমাত্র প্রচেষ্টাই ছিল তাই।।


একসাথে শুয়েছি গল্প করেছি ,খেয়েছি, ঘুরেছি কতকি ছোট্ট পরিচয় তবুও কিছু স্মরণীয় মুহূর্ত আছে যা কখনো ভোলা যায়না। থেকে থেকে মনে হয়ে যায়, মারা যাওয়ার কিছুদিন আগেই উনার সাথে কথা হয়েছিল… ব্যক্তিগতভাবে ওনার তখন সাহায্যের খুব প্রয়োজন ছিল কারণ রিটারমেন্ট এরপরে কারো তেমন স্বচ্ছলতা থাকে না! তার ওপর যদি কেউ দুর্গ অসুস্থ থাকে তখন তো এমনিতেই অনেক টাকা খরচ হয়ে যায় অভাব হতেই পারে। কিন্তু আমার মনে হয় যদি cov-19 লকডাউন না হতো তাহলে আমাদের প্রিয় bhajanda কখনোই মারা যেতন না, 65 বছর বয়সে খুব সুস্থই ছিলেন।


My life My story [9:02 AM, 7/24/2021] : ভজন দার মাঝে এক অসম্ভব আন্তরিকতা ছিল যা কিনা সহজেই কাউকে আকর্ষিত করতে পারতো। এখন আমাদের ইউনিয়নের স্তম্ভ রাখাল দা ও নেই অভাবটা কিন্তু আমরা মর্মে মর্মে খুব বোধ করি। মাথায় হাত দেওয়ার মতো লোক আর নেই।যারা আছে তারা একটু সাহাব গোছের, নিজেকে বাঁচানোর মূল লক্ষ্য। আসলে কি হচ্ছে রাশি রাশি টাকা গুলোকে তো বাঁচানো চাই যা কিনা এদিক সেদিক করে অর্জন করা হয়েছে। বিতর্কিত হতে পারে আমার মন্তব্য কারো পছন্দ নাও হতে পারে তাতে কিছু আসে যায় না। আমার জীবন দিয়ে, জীবনের অভিজ্ঞতা দিয়ে যা অর্জন করেছি, একটা জিনিস লক্ষ করেছি তা খুব স্পষ্ট, মানুষের মানসিকতা হচ্ছে “আমি দিতে আসিনি, নিতে এসেছি”।

রেলের অর্ধেকের বেশি কর্মচারী আছে যারা কিনা কাজ না করে বেতন নিতে চায়, আর যারা খেঠে চলে তারা খেঠেই চলে। আমি তো দেখতেই পাচ্ছি, কাজ না করে ওরা বিন্দাস চলে। আসল কথা হচ্ছে জিনিসটা ধরা না পড়ার একমাত্র কারণ, Group work হওয়ার জন্য পুষিয়ে যায় কারও fault ধরা পড়ে না। আর ধরা পড়লেই বা কি তারা ফাঁকি দেওয়াটা ভালোভাবে রপ্ত করেছে বেশ নামডাক এর সাথেই তারা চালিয়ে যায়।

will continue…

My life my story-Bengali

Part-3

ভালোবাসার গল্প শুনতে শুনতে আমরা খুব রোমাঞ্চিত হয়ে উঠি, মনের মাঝে নতুন উদ্দীপনা সাড়া দিয়ে জেগে উঠে কিন্তু ভালোবাসার পিছনের সংগ্রামটুকু আমরা কখনো দেখতে পাই না। হয়তো বা কেউ বলতে চায় না এটাই খুব স্বাভাবিক। একটা জিনিস লক্ষ্য করা যায় কখনও কখনও আমরা কারো ব্যথাতে খুব আনন্দ পাই, বলি বেটা, বেশ জব্দ হয়েছে। এতকাল তো আনন্দে খুব ধেই -ধেই করে ঘুরে বেড়াচ্ছিল, এখন ঠেলা বুঝক। মানুষ অভ্যাসের দাস তাই মানুষের পক্ষে এমনটা বলা কখনো অবান্তর নয়।নিজে যখন ভালোবাসার অত্যাচারে জর্জরিত, কাউকে বিশ্বাস করতে গিয়ে নিঃস্ব হতে হলো।

সে গল্পটা আমি এখন কাউকে বলতে পারব না কিন্তু একটুখানি বলে তুলে রাখতে পারি ভবিষ্যতের জন্য। যদি কখনো সময়,স্থান হয় তবে অবশ্যই পুরো গল্পটা বলবো। এখন না হয় ভালোবাসার গল্প নিয়েই বেঁচে রই।বয়স যখন 45 পেরিয়ে গেছে, বলতে গেলে জীবনে অর্ধেকের বেশি সময় পার হয়ে গেছে। পিছন ফিরে তাকালে কেমন যেন গল্প বলে মনে হয়। ভবিষ্যতের কথা মাথায় আসলে ভয় হয়, নিজেকে জীবনের সফলতা ও সফলতার মাপকাঠিতে যদি তুলে ধরি তবে যেমন অসফল বলাটা খুব কঠিন আবার সফল বলতে গেলে ঠিক সঠিক বিশেষণ টা খুঁজে বের করা খুব মুশকিল।

যখন হাতে অনেকটা সময় ছিল এমনিতেই পার হচ্ছিল নিজেকে খুঁজতে খুঁজতে জীবনের অনেকটা কাল পেরিয়ে গেল। কখনো মনে হয় আমি যেখানে আছি সেটা আমার স্থান কোন কালের নয়, ভাবতে অবাক লাগে আমি কিভাবে উড়ে এসে জুড়ে বসলাম। সত্যটাকে উপলব্ধি করতে জীবনের অনেকটা কাল পেরিয়ে গেল। অবাক হয়ে ভাবি যখন হাতেকাজ আসলো তখন সময় খুব কম এত কম সময়ের মধ্যে এত কাজ করা কি আদৌ সম্ভব! তো কিছুটা যেমন মনে হয় সাগর থেকে এক ঘটি জল তুলে আনা।
তবুও প্রয়াস চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছি যখন সত্যটা উপলব্ধি করতে পারলাম তখন বাকি জীবনটা যেন বৃথা না যায়।

প্রতিশ্রুতি অনেক বার করা হয় কিন্তু রক্ষা করাটা কতটুকু সম্ভব হয় সেটা সময়ই আসলে একমাত্র বলে দিতে পারে। অনেকবার প্রতিশ্রুতি করি যে এমনিতে বসে থাকবে না কিছু না কিছু নিশ্চয়ই লিখব কিন্তু ঠিক প্রতিশ্রুতি রক্ষা করতে পারিনা। আজকে আরো একবার প্রতিশ্রুতি নিলাম যে কিছু একটা লিখব।
নিজের গল্প বলে কাউকে বিরক্ত করার অভিপ্রায় আমার নেই কিন্তু একটুখানি যদি হয়ে যায় তার জন্য ক্ষমাপ্রার্থী।

আমি তাপসের জীবনের গল্প বলব বলে বলছিলাম, আমি জানি না এখন ও কিভাবে কোথায় আছে। ওর সাথে বারবার যোগাযোগ টা হারিয়ে ফেলি কারণটা ওর কাছে ফোনটা রিচার্জ করার টাকা থাকে না। অনেক সময় ৮/১০ মাইল সাইকেল নিয়ে আসত এখন অনেক দিন আসেনা আমি জানিনা তাপস এখন কোথায় কিভাবে আছে। মনটা ব্যাথায় কাতর হয়ে যায় কিন্তু আমি কিছু একটা করে উঠতে পারি না একদিনের গল্প বলছি আমি তখন স্টেশনের ডিউটিতে ছিলাম প্রায় ছমাস ওর সাথে কোন দেখাই নেই, কোথাও খবর নেই মাঝে দুবার গাড়িকরে ওকে খুঁজতে গিয়েছিলাম কিন্তু ওর সাথে দেখা হয়নি ওর মাকে বলে এসেছিলাম আসলে যেন আমার সাথে দেখা করে।

জানিনা এ জীবনে প্রতিশ্রুতি রক্ষা করতে পারব কিনা কিন্তু আমি ওকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছি, ওর যদি কোন সমস্যা হয়, ‘ তুই মরতে যাবিনা আমাকে বলবি’। মাঝে যখন খুব অসুস্থ ছিল মনে হয় করুনাই হয়েছিল কিন্তু গরিবের তো গায়ে জোর থাকে, তাই বিনা চিকিৎসাতেই ভালো হয়েছিল ঘরে।

খুব সুঠাম চেহারা বলশালী ও যখন একেবারে ক্ষীণ হয়ে আমার সামনে এসে দাঁড়াল আমি একটু ভয়ে আঁৎকে উঠলাম, কি হয়েছে তোর, একেবারে শুকিয়ে কাঠ হয়ে গেছিস যে , ধীর গলায় উত্তর আসে খুব অসুস্থ ছিলাম জ্বর হয়েছিল। প্রথমে বাবা, তারপর মা, তারপর আমার এক মাসের বেশি জ্বর ছিল। সত্যি শুকিয়ে কাঠ হয়ে গেছে আমি উপলব্ধি করতে পারলাম কারণ এ সমস্যা আমার গত বছর হয়েছিল আমি 1 মাস 3 দিন এ সুস্থ হয়েছিলাম l ও আসতে আসতে রাস্তায় ঠাকুরের কাছে বলছিল ঠাকুর, আমাকে যেন-তেন প্রকার হেনো পায়, আমি যেন কোথায় বাইরে না থাকি। কারণ ওর কাছে ওই সময় আমি ছাড়া কোনো ব্যবস্থা নেই। কথাটা আমাকে বলছিল রাস্তাতে বলে আসছিল, ঠাকুর তুমি যেন দেখো। আমাকে পাওয়ার পর এ বিশ্ব মাঝে ও যেন ভগবান পেয়ে গেছিল।

বলছিলো স্যার আমাকে 4000 টাকা দিতে পারবেন! না করার অজুহাত তো আমার কাছে কখনোই ছিল না। এটা আমি ওর জন্য বরাবরই করে আসছি যখনই ওর প্রয়োজন আসে ও আমার কাছে ছুটে চলে আসে। আমি সাধ্যমত সাহায্য করি কিন্তু ওর সমাধান করতে পারিনা, এটাই আমার দুর্ভাগ্য। একটা প্রয়াস অবশ্য করেছিলাম কিন্তু ভালবাসার অত্যাচারে তা করে উঠতে পারলাম না। এ লোকসান আমাকে কতদিন বয়ে বেড়াতে হবে আমি জানিনা কিন্তু তাপসের মত যারা আমার সাথে জুড়ে আছে তাদের কথা ভাবলে খুব কষ্ট হয়। কিন্তু আমি চেয়েও কিছু করতে পারছিনা এখানেই আমার খুব দুঃখ বড় নিঃস্ব মনে হয়, নিজেকে খুব একা মনে হয়। কিন্তু আমি চেষ্টা করে যাচ্ছি।

ত্রিপুরা ওয়েব সলিউশন এর সাথে জড়িয়ে যাওয়া এটা একটা প্রয়াস মাত্র। উদ্দেশ্য খুব সহজ, নিজের জীবন তো পেরিয়ে আসলাম, স্বাচ্ছন্দ্যে কাটাচ্ছি। কিন্তু যাদের প্রতিশ্রুতি দিয়েছি তাদের জন্য যে কিছু করে উঠতে পারলাম না এখানেই যত দুঃখ .. জানিনা ঈশ্বর আমায় সে শক্তি দেবে কিনা কিন্তু আমি সংগ্রামে পিছু হবো না আমার হাতে জীবনে যত সময় আছে এই কাজ করে যাবো। ঈশ্বরের কাছে একটাই প্রার্থনা ঈশ্বর যেন আমায় কিছু সময় দিন.…।
এখন রাত্র তিনটা 12 আমি ঠিক ব্যস্ত আছি, নষ্ট হয়ে যাওয়া সময়টাকে কাজে লাগানোর চেষ্টা করছি.

 [3:13 AM, 7/10/2021] piklu chanda:

My life my story-3 will continue …Choose to buy from Amazon

My Life My Story- Bengali

Part-4

আমাদের জীবনের ভালো কাজগুলো কিছুটা একটা গাছের চারা লাগানো কিংবা একটা বীজ কে ছুড়ে ফেলে দেওয়ার মতো। হয়তোবা সামনে থেকে এর ফল বোঝা যায় না কিন্তু আপনার ফেলে দেওয়া কিংবা পুঁতে রাখা বীজটি যখন বিশাল বৃক্ষ রূপ ধারণ করে, কত মানুষ উপকৃত হয়। আমরা হয়তো তার থেকে ফল পাই না কিন্তু কখনো যেতে যেতে পথে পথিক হিসাবে তপ্ত গরমে অবশ্যই একটু জিরিয়ে নিতে পারি। হয়তো আমরা জানি না কিংবা জানতেও পারব না এটা আমার লাগানো বৃক্ষ।


[6:48 AM, 7/29/2021] piklu chanda: যাকে কিনা আমরা জীবনে ভ্যালু যোগ করা বলে বলতে পারি। একটা জিনিস খুব স্পষ্ট করে মনে রাখতে হবে যে জিনিসটা আমি যতদিন পর্যন্ত আমাদের কাজে লাগানোর যোগ্য থাকে, তাকেই আমরা পছন্দ করি, ভালোবাসি এবং ব্যবহার করি। যখন কোন জিনিস ব্যবহারের অযোগ্য হয়ে যায় ভ্যালু অ্যাড করতে পারে না, প্রয়োজনের পূর্তি করতে অক্ষম তখন ধীরে ধীরে তার গ্রহনযোগ্যতা হারিয়ে যায়। তাই কিনা গুণীজনেরা সাধে বলে রূপের কদর নেই আসল কদর হচ্ছে গুণের। সময় তো এমনিতে ও যায় কাজ করলেও যাবে না করলেও যাবে। সময় এবং নদীর জোয়ার কারো জন্য কখনো অপেক্ষা করে না।


[7:08 AM, 7/29/2021] piklu chanda: আসলে কি জানেন অনেক কথা মনে আসে আবার অনেক কথা ভুলে যাই। আমার জীবনের ব্যস্ততা কাজের ফাঁকে ভাবার সময় টুকু থাকেনা। ভাবনা তো আসে তার মত করে কিন্তু গুলিয়ে যায়। এভাবেই দিন চলতে থাকে কিছু জায়গাতে আমাদের কিছু করার থাকে না। শুধু নিজের কাজটাই করে যেতে হয়, অন্যের কথা ভাবতে গেলে অনেক সময় এমনিতেই অহেতুক নষ্ট হয়ে যায় কিন্তু মানুষ হিসাবে এর থেকে আমরা দূরে যেতে পারি না। আমার অভিজ্ঞতা থেকে বলছি, আমরা কারো ভুলের জন্য কাউকে গালি দিতে পারি অনেক কথা বলতে পারি কিন্তু তার কোন তাৎপর্য নেই। সব অহেতুক, কারণ আমার কাছে, আমার দেখা অভিজ্ঞতা এবং ব্যক্তিগত মত যদি বলি। ভুল-শুদ্ধ বলে কিছুই নেই। ভুল মানুষের জীবনের অভিজ্ঞতা যাকে কিনা modern culture experience বলে সম্মান করে ।


একটা জিনিস খুব দুঃখের কেউ কারো কথা শুনতে চায় না নিজের মতো করে ভাবে, আমার মনে হয় এখানে আমাদের অনেক সময় নষ্ট হয়ে যায়। একটা উদাহরণ দেই যেমন ধরুন আমার বাড়ি থেকে তিন কিলোমিটার দূরে বাস-স্ট্যান্ড রোজ রোজ আমাকে তিন কিলোমিটার বাসস্ট্যান্ডে হেঁটে যেতে হয় গাড়ি ধরার জন্য। কিন্তু ভাগ্যিস কোন একদিন ঘর থেকে বেরুনোর সাথে সাথে আমার সামনে এসে একটা গাড়ি দাঁড়িয়ে যায়, আমাকে তুলে নিয়ে যায়। আমি খুশি হই আমার তিন কিলোমিটার দূরে হেঁটে যেতে হয়নি।।। কিন্তু কেউ যদি এসে কোনো অভিজ্ঞতা কিংবা জ্ঞানের কথা বলে আমরা খুব দূর ছাই করে তাড়িয়ে দেই। আপাতদৃষ্টিতে এটা আমাদের জ্ঞান বলে বলা যেতে পারে কিন্তু আমি বলব মানুষের মাঝে অন্ধকারের এক কালো অধ্যায়। মানুষ অন্যের কথাকে কখনো শুনতে চায় না নিজের কথাকে মূল্যবান বলে ভাবে। কিছুটা তার কারণ নিজের প্রতি গ্রহণ যোগ্যতার অভাব । আমি খুব সুন্দর করে বলতে পারি এসব ব্যবহারের জন্য আমাদের ব্যক্তিগত সমস্যাই দায়ী। আমরা নিজেকে নিয়ে কখনো পর্যালোচনা করি না ভাবি না, এখানেই বড় ভুল। একটা জিনিস খুব পরিষ্কার কেউ যত সময় পর্যন্ত ভেলু এড করবে তার তত সময়ই মূল্য। সত্যি টা কে যদি কেউ জেনে অস্বীকার করে তবে অযথা কাল ব্যয় করা ছাড়া আমার কাছে অন্য কিছু নয়।

will continue…

My life my story

Part-5

[11:56 PM, 7/29/2021] piklu chanda: জীবন এর গণ্ডি টা এখন আর ছোট বেলার মত প্রশস্ত নয় । স্কুলের শেষে যখন মাঠে খেলতে যেতাম তখন সত্যি মনে হতো জীবনের পরিধি কত ব্যপ্ত। জীবনের গণ্ডিটা এখন ছোট্ট একটা দড়ি দিয়ে বাঁধা আমি বাধ্য পেন্ডুলামের মত ঝুলছি । কখনও দড়িটা যদি ছিঁড়ে যায় তখন কি হবে ? আমি আপ্রান প্রয়াসে ছুটছি কিন্তু জীবন কারার শক্ত বাঁধন আমাকে জড়িয়ে রেখেছে…আমি চাইলেই মুক্ত হতে পারিনা ।


অনেক কিছু বলার আছে কিন্তু বলা হয়ে আর উঠে না। সুদূরের টান যখন দূর হতে দুহাত প্রসারিত করে আলিঙ্গনের অপেক্ষায় পথ চেয়ে রয় তখন মনের মাঝে যে অস্তিত্বের দ্বন্দ্ব বাজে তার থেকে নিস্ক্রমনের পথ খুজে পাওয়া খুবই দুষ্কর । কেউ যেনো মনে হয় আড়াল থেকে অস্পষ্ট কণ্ঠে উচ্চারিত করে কোনো এক অজ্ঞাত তত্ত্ব । আমি নিষ্ক্রিয় হই, রত হই নিত্য কর্মে, জল যেমন বাষ্প হয়ে আকাশে উড়ে যায় আবার ফিরে আসে জল হয়ে । আমি ও তাই একটু নিজেকে পালটে ফিরে আসি সমহিমায়!

একটা জিনিশ সবসময় মাথায় রাখতে হবে জীবনের প্রতিটা পরিস্থিতি আমাদেরকে কিছু না কিছু শেখানোর জন্যই আসে। কখনও কখনও আমরা হেরে যাই পেরে উঠি না। হওয়াটাও অসম্ভব কিছু নয়, এটা আমাদের জীবনের একটা পার্ট দেফেন্সে পিলার অফ ইউর লাইফ. আমি নিত্যনৈমত্তিক কিছু নতুন ঘটনাকে দেখতে পাচ্ছি যা কিন্তু সবার মধ্যে একটা ট্রেন্ড হয়ে যাচ্ছে, আমরা অনেকটা বেশি সেল সেন্ত্রিক হয়ে যাচ্ছি তা কিন্তু আমাদের জন্য কখনো কাম্য নয়।আমরা যা কিছু পেয়েছি অলমোস্ট সবকিছুই ফ্রী, তবে দেওয়ার বেলায় এত দরকষাকষি কেন, কেন এত দামের কদর?

দেয়া আর নেয়ার মাঝে একটা সূক্ষ্ম পার্থক্য আছে পার্থক্যটা খুব সহজ এবং সরল। কোন কিছু দিতে যাওয়া মানে নিজেকে শক্ত করা, স্বচ্ছ করা। আর নিতে যাওয়া মানে নিজেকে দুর্বল করা এবং কলঙ্কিত করা। নিজেকে ক্রমাগত জড়িয়ে নেওয়া অনেক অ প্রয়োজনীয় কিছু তথ্যের সাথে। আমি জানি মন্তব্য আসতেই পারে যে না নিয়ে কি জীবনে চলা সম্ভব? আমার কাছে তার উত্তর খুব ছোট এবং সহজ ‘না’।কিন্তু প্রয়োজনের বাইরে কিছু নেওয়া কখনো কাম্য হওয়া উচিত নয়।

চলনা একটা প্রয়াস করে দেখি, এমন কিছু আমাদের যাবে না হয়তোবা একটু বহুমূল্য সময় যাবে। যা সারাদিন শুয়ে বসে পার হয়ে যায় দিব্যি।

One thing I want to share is the value of your life… To me, it’s successful when you can add some value for others…
That’s why I have started Tripurawebsolution.com
join and support me to add value for others life… ❤️

Will continue…

My life my story

Part-6

আজকে খুব একটা মজার জিনিস শেয়ার করবো বলে ভাবছি কিন্তু একটা শর্ত আছে যারা পাঠক পড়বে বাংলা না বুঝতে পারলে ইংলিশ অথবা হিন্দি ব্লগের অংশ দেখতে পারে এবং মন্তব্য করতে যেন না ভুলে। আমাদের মাঝে অনেকেই আছে যারা ছোটবেলায় গ্রামের মাঝে বড় হয়ে উঠেছে গ্রামের বাড়িতে একটা জিনিস কমন থাকে, গরু, ছাগল, হাঁস-মুরগি, তাজা-তাজা শাকসবজি এইসব আর কি! তো একটা খুব পরিচিত জিনিস ছিল খাওয়ার মাঝে তা হল ভর্তা আলু ভর্তা, আর বেগুন ভর্তা। আর তার সাথে একটু দুধের সর স্পেশালি বেগুন ভর্তার জন্য। তার প্রিপারেশন ফর্মুলা টা কিন্তু খুব ভাল এবং সুন্দর ছিল । উনুনের মাঝে জ্বলা কয়লাতে বেগুন কিংবা আলু চেপে রেখে ছেড়ে দিলে এমনিতেই সিদ্দ হয়ে যেত। বর্তমান যুগের মাইক্রোওভেন বললে ভুল হবে না। আবার কখনও কখনও ধানের তুষ দিয়ে দুধ গরম কিংবা ঐ কাজটা করা হতো। ঐ অল্প আছে গরম হওয়া আলু কিংবা বেগুন আবার দুধের সর বাইরে থেকে যতটা ঠান্ডা মনে হয় হাত দিলে কিংবা মুখে দিলে বুঝা যায় কতটা গরম!

একটা মজার জিনিস মাথায় আসছে যা কিনা শেয়ার না করতে পারলে ভালো লাগবে না। suppose আমরা যখন ধীরে ধীরে বড় হয়ে উঠি আমাদের পিছনে আমাদের পুরো র্পরিবার যেভাবে যত্ন করে তা বলে বোযানো মুশকিল। কিন্তু আমরা বড় বা যোগ্য হয়ে কি করি নিজের জন্য বেস্ট হয়ে যাই। এটাই কি কাম্য, শুধু বড় হয়ে উপার্জন করা! যে স্কিল বা দক্ষতা, আমাদের শিক্ষা আমরা সারা জীবন ধরে অর্জন করি তা কি শুধু উপার্জন করার জন্য?

যদি বিষয়টা আলাদা কিন্তু আমরা কি সত্যি এভাবে কখন ও পর্যালোচনা করি। জানিনা কেন বিষয়টা এভাবে বড় বিরক্ত করে। আমরা কি আমাদের স্কিলটাকে ধরে রাখতে পারিনা। অতি সহজে হারিয়ে দিতে পারি। ভাবতে অবাক লাগতে পারে কিন্তু সত্যি কথা কে কত গুপন করবো। আমি সাধু হতে বলছি না সংসারী হও কিন্তু আমাদের শিক্ষা, স্কিল যেন দো কান না হয়ে উঠে।

আমরা যখন বৃক্ক লাগাই তখন তার একটা যথার্থ উদ্দেশ্য থাকে একটা সার্বজনীন ইন্টারেস্ট জড়িয়ে থাকে কিন্তু আমাদের বেলা তা উল্ঠা হয়। আমরা নিতান্ত ব্যাক্তিনির্ভর হয়ে পড়ি। একদিন আমাদের সাথে সাথে আমাদের স্কিল ও দক্কতা ও শেষ হয়ে যায়। আমার কাছে বিষয়টা খুব বেদনাদায়ক। পর্যালোচনা করি কিংবা না করি কিন্তু প্রশ্ন ছিল , প্রশ্ন আছে, প্রশ্ন থাকবে?

এবার আপনারা ভাবুন এবং কিছু রেসপন্স আসলে ভালো লাগবে।

My life my Story

Part-7

[7:19 AM, 8/1/2021] piklu chanda: জীবনেরে প্রান্তে এসে একটা জিনিসের অভাব বড় বেশী অনুভব করি সে হলো নিঃস্বার্থ ভালোবাসা। মাঝে মাঝে বাবার অভাবটা খুব বোধ করি .. আমি ও এখন বাবা কিন্তু ছেলে হওয়ার আনন্দটাই আমার কাছে অনেক বেশি ভালো লাগার ঘটনা । ছোটবেলার স্মৃতি গুলো সামনে স্বপ্নের মতো ভেসে বেড়ায় ভুলেও ভুলতে পারিনা বাবা যেদিন মারা গিয়েছিলেন সেদিন আমি নিজেকে খুব একা মনে করেছিলাম তার অভাবটা কোনদিনও পূরণ হয়নি কেউই স্থানটা নিতে পারেনি। এভাবে আছে, ছিল আর থাকবে। কিন্তু বাবা বলতেন তুমি যেদিন বাবা হবে সেদিন বুঝবে আমার ব্যথা আর একটা জিনিস মনে রাখবে পরিবর্তনই সবকিছুর জননী।
বাবার ভালোবাসাটা একটু অন্য ধরনের যদিও শাসন থা কে তবুও স্নেহের কোন অভাব থাকে না কারণ সব বাবারাই চায় তার ছেলে যেন থাকে ছাপিয়ে যায়। ছেলে যদি অকৃতকার্য হয় পৃথিবীতে কেউ যদি সবচাইতে বেশী কষ্ট পায় সে হচ্ছে বাবা। এটা আমার ব্যক্তিগত অনুভূতি থেকে বলছি। জীবনে কোন একসময় খুব ফাঁকি দিয়েছি বুঝতেই পারতাম না জীবনটাকে, বাবা বারবার বলত সবকিছু বন্ধ হয়ে যাবে আমি যেদিন মরে যাব আমি যেদিন থাকবো না। আজ বুঝি সব কিন্তু সেদিন যে বাবাকে কষ্ট দিয়েছিলাম তার কোন উত্তর আমার কাছে নেই, আমি আজ অনুতপ্ত। আমি বিতর্কিত কিছু বলছি না মা যদিও মমতাময়ী হয় তবুও সংসারের পরিচালন দায়িত্ব হাতে থাকার জন্য বিজনেসম্যান এর রোল প্লে করতে হয় তাই অনেক কিছু সঠিকভাবে হয়ে ওঠে না। কিন্তু আমার ক্ষেত্রে একটু আলাদা বাবা, পরিবারের সমস্ত সদস্যদের এক চোখে দেখেন এখানে কোন পার্থক্য হয় না আমি আমার ব্যক্তিগত ছোটবেলার অভিজ্ঞতা শেয়ার করলাম। আমার জীবনে যদি কোনোকিছু পূঁজি থাকে তবে একটাই আছে, আমার বাবার ভালোবাসা, মধুর স্মৃতি আমি কখনো ভুলতে পারবো না। তাই বুড়ো বয়সেও ওই অভাবটা বুঝি।আমার মনে হয় পৃথিবীর সবচাইতে সুস্বাদু ফল তা হচ্ছে নারিকেল খুব কঠিন বেশিরভাগ দুর্গম জায়গাতে থাকে তারপর অনেক উঁচুতে, তারপরও ওকে খেতে গেলে অনেক ঝক্কি ঝামেলা পোহাতে হয় তারপর খেতে পাওয়া যায়।

[7:28 AM, 8/1/2021] piklu chanda: এখন আমি একটু শিফট করব। নারিকেল আমার কথাটা কে বোঝানোর জন্য উদাহরণ ছিল। এখন আমি জীবনের কথাটা বলি। নিজেকে উপলব্ধি করতে গেলে, নিজের সত্তাকে বুঝে নিতে গেলে, অনেক কষ্ট করতে হয়। অনেকগুলো ধাপ পেরিয়ে আসতে হয়, তারপরেই পাওয়া যায় জীবনের সার। খোসার ভিতরে লুকানো থাকে জীবনের গূঢ় রহস্য। অনেক বাহানা, অনেক অজুহাত, মানুষ হেলাভরে নারিকেল তাই তেমন খেতে চায় না তাকে ভাঙতে চায় না জীবনের বেলায় ওইখানে গিয়ে মানুষ থেমে যায়। জীবন কে উপলব্দি করতে গেলে নিজস্ব হতে হয়। আমার মনে হয় ভরা পেটে যেমন কেউ কিছু খেতে চাই না তেমন বিলাসবহুল কিংবা অহংকারে ভরা জীবন ও আসল সত্য থেকে দূরে রয়ে যায়। প্রয়োজন টা ই সত্য হওয়া উচিত। একমাত্র মানুষের প্রয়োজনই সঠিক পথ বলে দিতে পারে।
কিন্তু একটা জিনিস সত্যি নারিকেল যেমন ভালো থাকলে ব্যর্থ যায় না, যদি ও খাওয়ার কাজে না আসে, ফেলে রেখে দিলে গাছ হয়ে বেরিয়ে আসে। মানুষের বেলা ও তাই নিজের লুকানো সত্যিটাকে যদি কেউ অনুভব করে তবে তাকে কেউ ধরে রাখতে পারবে না। একখণ্ড আলোক রাশিকি লুকিয়ে রাখার প্রয়াস কি কেউ কখনও করতে পারে?

Will continue…

Tripurawebsolution.com

Part-7

]

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *