Life is Strange

Life is strange

Life is strange

জীবনের অনেকটা সময় আমরা অন্যদের জন্য ব্যয় করে দেই কিন্তু যার জন্য সময় ব্যয় করি তারা কি বাস্তবে তার সম্মান করে কি না করে তা আমরা কখনো কি ভেবে দেখেছি? হয়তোবা না। আমি আমার জীবনের বাস্তবিক অভিজ্ঞতা থেকে বলছি আপনি যদি নিজেকে ভালো না বাসেন, যদি নিজেকে হেও বলে মনে করেন, তাহলে কিভাবে ভাবতে পারেন অন্যরা আপনাকে সম্মান করবে? আমি মনে করি যদি কোন ব্যক্তি নিজেকে ভালোবাসে নিজেকে সম্মান করে সে অপরকে ততটুকু সম্মান করবে ততটুকু ভালবাসবে।। কিছু মানুষ নিজেকে খুব অহংকারী বলে মনে করে, ভাবে আমি সব জানি, বাকিরা সব হেয়ো, তুচ্ছ নগণ্য! জীবনের অনেকটা সময় অন্যকে উনুকরণ করতে ব্যয় করি, এটাই জীবনের সবচাইতে বড় ভুল !

আমরা পৃথিবীর সমস্ত মানুষকে দেখে অনুপ্রাণিত হই পৃথিবীর যত জ্ঞানীগুণী ব্যক্তিকে সম্মান করি শ্রদ্ধা করি, তাদের থেকে জানতে চেষ্টা করি, তাদের দ্বারা অনুপ্রাণিত হই। কিন্তু কেন অনুপ্রাণিত হই তা কখনো ভেবে দেখেছেন, নিশ্চয়ই না! আমরা অনুপ্রাণিত হই বলে ই অন্যরা আমাদেরকে অনুপ্রাণিত করতে পারে। তার জন্য আমাদের মহান ব্যক্তিত্বই সম্মানের যোগ্য অন্য কোন ব্যক্তি নয়।

আমার শব্দের দ্বারা কাউকে আমি অপমান করতে চাই না, মূর্খরা হয়তো মূর্খের মতো ভাববে কিন্তু জীবন থেমে থাকবে না জীবন আপন গতিতে চলবে। জীবনের অনেক কিছু আমাদের চাওয়া-পাওয়ার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। আমরা চাইলেও কিছু বলতে পারি না, চাইলেও কিছু করতে পারিনা। ধরুন মুষলধারে বৃষ্টি হচ্ছে রাস্তা খুব পিচ্ছিল হয়ে আছে তবুও আমাদেরকে যেতে হবে, তখন যদি রাস্তায় গিয়ে আমি পিছলা খেয়ে পড়ে যাই তার জন্য কি আদৌ আমি দায়ী? আমার কথার তাৎপর্য হচ্ছে সব সময় আমাদের নিজের প্রয়াসটা অপরের দৃষ্টি আকর্ষণ নাও করতে পারে, কিন্তু তার জন্য আমাদের ব্যক্তিসত্তাকে ছোট করে দেখার কোনো মানেই হয় না।

জীবনে অনেক ছোট ছোট ভুল আছে যার থেকে আমরা শিক্ষা নেই কিন্তু কখনো জীবনের চাপে আমরা সেইসব শিক্ষাগুলোকে ভুলে যাই আবারো ভুল করি। তার জন্য কি শুধুই আমরা দায়ী। ঋতু পরিবর্তনের সাথে সাথে আমরা প্রভাবিত হই, মানিয়ে নেই কিন্তু ভুল বশতঃ ভীষণ শীতে গরম কাপড় যদি কেউ চুরি করে নিয়ে যায় , তার জন্য কি নিজেকে দোষারপ করবেন ? প্রশ্নটা আপনার জন্য তুলে রাখলাম !!!

উদাহরণ দিয়ে বলতে পারি যখন আমরা বোতলে জল ঢালি কিছু জল কিন্তু বাইরে পড়ে যায় পুরোটা আমরা বোতলে ঢালতে পারি না। সেখানে নিজের শিক্ষা জ্ঞান কোনো কাজের নয়। আমি মনে করি শিক্ষাটা নিজেকে বিকশিত করার জন্য, প্রদর্শন এর জন্য নয় ! পরীক্ষা পাস্ করে সার্টিফিকেট পাওয়া যায় হয়তো একটা চাকরি ও ! কিন্তু প্রকৃত শিক্ষা পাওয়া যাই কি না সেটার বিচার আপনি করবেন !

জীবনে কখনো কোন সময় নিজেকে হেয় প্রতিপন্ন করার কোন মানেই হয় না । বাছুন মাথা উঁচু করে বাঁচুন। কালো কিংবা সাদা ভগবান যেমন করে বানিয়েছেন , তার জন্য পরমেশ্বের কে ধন্যবাদ করুন , নিজের মা , বাবাকে মনে করুন , প্রণাম করুন !

ভয় দেকিয়ে শ্রদ্ধা আদায় করা যায় না , বিনয়ী হোন , অপরকে ভালো বাসুন , শ্রদ্ধা এবং প্রতি ভালোবাসা এমনিতেই পেয়ে যাবেন। ফুল যখন কলি হতে ধীরে ধীরে প্রস্ফুটিত হয় তার রূপে গন্ধে মানুষ বিমোহিত হয়,
ফুলের মত নিজেকে বিকশিত করুন, আপনার মহিমা ছড়িয়ে পড়ুক দিকে দিকে,
কিন্তু শরীর যেন পাথরের মত শক্ত, কঠিন হয়!
যেমন পাথর চিরকাল বেঁচে থাকে পাহাড়ের গির চূড়াতেও!!!!!!!!

PIKLU CHANDA

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *