আত্মসম্মানবোধ | SELF-ESTEEM

আত্মসম্মানবোধ | SELF-ESTEEM

স্বাভাবিক  নিয়ম

আত্মসম্মানবোধ যখন গলা উঁচু করে প্রতিবাদ করে তখন ধরে নিতে হয় জীবনে কোন একটা ডিসিশন নেওয়ার যথার্থ সময় এসেছে। এটা প্রমাণিত সত্য যে মানুষ প্রতিবাদ করে তখনই যখন তার কাছে প্রতিবাদ ছাড়া আর কোন রাস্তা থাকে না। নতুবা মানুষ সকল পরিস্থিতিতেই মানিয়ে নেয়। স্বতঃস্ফূর্ত কিছু সত্তা আমাদের মাঝে জন্মজাত তাকে আমরা চাইলে ও অস্বীকার করতে পারিনা।স্বাভাবিক প্রকৃতির নিয়ম। কিন্তু তা যেন নিজের আত্মসম্মানবোধ | SELF-ESTEEM কে রক্ষা করে।

বাদী কিংবা বিবাদী যেই হোক না কেন তার যুক্তির পক্ষে যথার্থ সত্যতা উত্তাপন করার অধিকার নিশ্চয়ই আছে। একটা উদাহরন আমি বলতে পারি যখন গৃহে কলহ করা হয় তখন তার সুনির্দিষ্ট কোনো কারণ থাকে না। তখন প্রশ্ন আসে শ্রদ্ধাবোধ আর ভালোবাসার। আপনি যদি কাউকে অনুকরণ করেন তবে দেখবেন তাকে আপনি মন থেকে যথেষ্ট শ্রদ্ধা করেন। আবার যদি কাউকে ভালোবাসেন তখন কোন চিন্তা ছাড়াই তার ভাল কাজ, খারাপ কাজ গুণ, দোষ সবকিছুকে আপনি ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখতে পারবেন। কারণ আপনি যে ওকে ভালোবাসেন। যখন ভালোবাসা কিংবা শ্রদ্ধা দুই এর অভাব থাকে তখন কোনো কিছুই অসম্ভব নয়। মাঝে মাঝে এ নিয়ে অনেক পর্যালোচনা করতে হয় নিজেকে নিয়ে ভাবতে হয়। কিন্তু মানুষের মাঝে এ জিনিসটা একবারও জাগ্রত হয়না তাই বলে এত সমস্যা।

ব্যাক্তিগত বিচার

আমরা যখন ডাক্তারের কাছে যাই আমাদের সমস্যা নিয়ে, ডাক্তার আমাদেরকে জিজ্ঞেস করে কি অসুবিধা ? আমরা ডাক্তারকে বিস্তারিত বলি। তারপরও কিন্তু ডাক্তার আমাদেরকে ওষুধ দিয়ে দেন। ডাক্তার পরীক্ষা করে যত টুকু বোঝে ঠিক আছে, যে জিনিসটা বোঝেনা ওই জিনিসটা বোঝার জন্য হয়তো ল্যাবরেটরীতে টেস্টের জন্য পাঠায় অথবা অন্য কোন ডক্টরের কাছে রেফার করে। এটা খুব স্বাভাবিক এবং সাধারন নিয়ম। কিন্তু বাস্তবিক জীবনে আমরা এই জিনিসটাকে নিয়ে তেমন research করি না। আমরা আমাদের সমস্যাটা সমাধান করতে চাইনা অথবা সিরিয়াসলি নিতে চাই না আমরা বুঝে উঠতে পারিনা আমাদের সমস্যাটা কি এবং তার সমাধান কোথায়? প্রশ্ন হাজার থাকতে পারে কিন্তু তার সমাধান হওয়া চাই শুধু প্রশ্ন করলে হবেনা বুঝতে লাগবে তার সমাধান টা কি?

আরেকটা জিনিস জীবনে আমি উপলব্ধি করেছি বেশি অন্যের উপর ভরসা করতে লাগে না। দুধে যদি আমরা প্রয়োজনের চাইতে বেশি জল মিলাই তখনও আর দুধ থাকে না। ঠিক তেমনি জীবনের ক্ষেত্রে ও সবকিছুতে কিছুটা দূরত্ব বজায় করে চলতে হয় অথবা বিপদ আসবে। জীবনে বাঁচার জন্য যেমন অন্তরঙ্গ মুহূর্তের প্রয়োজন সমানভাবে একান্ত ও প্রয়োজন। যারা জীবনে এ ভারসাম্য মিলিয়ে চলে তাদের কোন সমস্যাই হয় না। কিন্তু যখন আমরা দুটোর মধ্যে তফাৎ করতে পারিনা গুলিয়ে ফেলি, তখনই সমস্যা শুরু হয় কিছু সমস্যার সমাধান হয়, আর কিছু সমস্যার কোনদিনই সমাধান হয় না। কিছুটা মরণব্যাধি ক্যান্সারের মতো।

আত্মসম্মানবোধ | SELF-ESTEEM

Hubpages A personality Traits

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *